বাংলাদেশের স্বাধীন দোকানের মার্কেটপ্লেস hello@midmart.com.bd
+880 1818611831 সকাল ১০টা – রাত ১০টা · সব দিন উইশলিস্ট

জাতীয় দিবস

স্বাধীনতা দিবস

২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্মরণ করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস—১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। পতাকা উত্তোলন, স্মৃতিসৌধে ফুল, কুচকাওয়াজ আর লাল-সবুজ পোশাকে দিনটি পালিত হয়।

তারিখ
শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২৭

দোকানগুলো আলাদা করে পাঠায় আর উৎসবের আগে কুরিয়ারে ভিড় থাকে — নিশ্চিন্ত থাকতে ১৯ মার্চ-এর মধ্যে অর্ডার করুন।

রাতে রঙিন আলোয় সাজানো ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবন
২০১৫ সালের স্বাধীনতা দিবসে আলোকসজ্জিত জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি: Sajeeb Ahmed Photography from Dhaka, Bangladesh · CC BY 2.0

স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় নৃশংস অভিযান চালায়, আর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে ঘোষিত হয় স্বাধীনতা। এরপর শুরু হয় নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ, যা শেষ হয় ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ে। বাংলাদেশ তাই ২৬ মার্চকেই দেশের জন্মদিন হিসেবে দেখে।

দিনটি ইংরেজি ক্যালেন্ডার মেনে চলে, তাই তারিখ কখনো বদলায় না—প্রতি বছর ২৬ মার্চ, জাতীয় সরকারি ছুটি। সরকারি অফিস, ব্যাংক আর স্কুল বন্ধ থাকে। বসন্তের শুরুতে, একুশে ফেব্রুয়ারির কয়েক সপ্তাহ পরে আর পহেলা বৈশাখের ঠিক আগে দিনটি আসে, ফলে মার্চ-এপ্রিল জুড়ে যেন জাতীয় ও সাংস্কৃতিক দিনের একটানা মৌসুম চলে।

আগের রাত, অর্থাৎ ২৫ মার্চ, আলাদাভাবে স্মরণ করা হয় সেই রাতে নিহতদের শোকে। তাই চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে মানুষের মন শোক থেকে গর্বে পৌঁছায়। অনেক পরিবার ছুটির দিনটিতে সন্তানদের একাত্তরের গল্প শোনায়, একসঙ্গে স্মৃতিস্তম্ভে যায়।

যেভাবে পালিত হয়

ভোরে তোপধ্বনি দিয়ে দিনের শুরু। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে আর প্রতিটি জেলার স্মৃতিস্তম্ভে মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। সরকারি-বেসরকারি ভবনে ওড়ে জাতীয় পতাকা, প্রধান সড়ক, জাতীয় সংসদ ভবনসহ নানা স্থাপনা সাজে আলোকসজ্জায়। স্কুল-কলেজ আর স্থানীয় সংগঠন আয়োজন করে কুচকাওয়াজ, খেলাধুলা, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আর মুক্তিযুদ্ধের গান-কবিতায় সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সাধারণ পরিবারের কাছে দিনটি আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি বেড়ানোরও দিন। সবাই পরে পতাকার লাল-সবুজ, শিশুদের হাতে কাগজের পতাকা আর মাথায় পতাকার ব্যান্ড, বিকেল গড়াতেই পার্ক আর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে। হাসপাতাল, এতিমখানা ও কারাগারে ঐতিহ্য অনুযায়ী উন্নত খাবার পরিবেশন করা হয়, আর অনেক বাড়িতে দুপুরে রান্না হয় বিশেষ কিছু।

মানুষ যা কেনে

  1. জাতীয় পতাকা

    হাতে নেওয়ার কাগজের পতাকা থেকে শুরু করে বারান্দা, গাড়ি আর অফিসের কাপড়ের পতাকা—২৬ মার্চের আগের সপ্তাহগুলোতে এটাই মূল কেনাকাটা।

  2. লাল-সবুজ পোশাক

    পতাকার রঙে শাড়ি, কুর্তি, পাঞ্জাবি আর ফতুয়া পরে পুরো পরিবার। মার্চে গরম পড়ে যায়, তাই সুতির কাপড়ই বেশি চলে।

  3. অনুষঙ্গ

    লাল-সবুজ রিস্টব্যান্ড, হেডব্যান্ড, ব্যাজ, স্কার্ফ আর চুলের ক্লিপ উৎসবের ভাব আনে, স্কুলের শিশুদের কাছে খুব জনপ্রিয়।

  4. শিশুদের পোশাক

    অনুষ্ঠানে লাল-সবুজ পরে আসতে স্কুল প্রায়ই বলে দেয়, তাই ছোট পাঞ্জাবি, ফ্রক আর ছাপা টি-শার্ট দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়।

  5. বই ও ইতিহাস

    একাত্তরের ইতিহাস, স্মৃতিকথা আর শিশুদের ছবির বই কেনা হয় ছোট পাঠক আর স্কুল লাইব্রেরির জন্য।

  6. সাজসজ্জা

    পতাকার রঙে ফেস্টুন, সুতোয় গাঁথা কাগজের পতাকা আর মরিচবাতি দিয়ে সাজানো হয় বাড়ি, দোকান, অফিস আর স্কুলের মিলনায়তন।

উপহারের আইডিয়া

  1. ইতিহাসের বই

    একাত্তর নিয়ে সহজপাঠ্য কোনো বই বা শিশুদের জন্য ছবির বই দিনটির জন্য ভাবনাভরা উপহার।

  2. শিশুদের লাল-সবুজ পোশাক

    ছোট্ট একটা লাল-সবুজ পাঞ্জাবি বা ফ্রক—উপহার পেয়েই স্কুলের অনুষ্ঠানে পরে যাওয়া যায়।

  3. বাঁধানো জাতীয় শিল্পকর্ম

    পতাকা, জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা মুক্তিযুদ্ধের কোনো দৃশ্যের প্রিন্ট ঘর বা অফিসের জন্য টেকসই উপহার।

  4. টেবিল পতাকা ও ব্যাজ

    স্ট্যান্ডসহ ছোট টেবিল পতাকা আর দুয়েকটা ব্যাজ সহকর্মীদের জন্য সহজ উপহার।

কেনাকাটার পরামর্শ

পতাকা আর লাল-সবুজ পোশাক ২৬ মার্চের অন্তত দশ দিন থেকে দুই সপ্তাহ আগে অর্ডার করুন। মার্চজুড়ে চাহিদা বাড়তে থাকে, আর যে বছর রমজান বা ঈদের কেনাকাটা স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে মিলে যায়, তখন কুরিয়ার আর দর্জি দুজনেরই ব্যস্ততা বেশি থাকে।

মিডমার্টে প্রতিটি দোকান আলাদাভাবে পাঠায় এবং নিজের ডেলিভারি চার্জ নিজে ঠিক করে। তাই তিনটি আলাদা দোকান থেকে শাড়ি, পতাকা আর বই নিলে পার্সেলও আসবে তিনটি, চার্জও লাগবে তিনবার। সম্ভব হলে কাছাকাছি জিনিসগুলো এক দোকান থেকেই কিনুন। মিডমার্ট কখনো আপনার টাকা নেয় না বা ডেলিভারি করে না—দুটোই প্রত্যেক বিক্রেতা নিজের মতো করে ব্যবস্থা করেন, তাই অর্ডারের আগে বিক্রেতা কীভাবে টাকা নেন আর কবে পৌঁছাতে পারবেন, তা জেনে নিন।

স্বাধীনতা দিবস-এর কেনাকাটা

মিডমার্টের প্রতিটি দোকান নিজের মতো করে টাকা নেয় এবং নিজেই ডেলিভারির ব্যবস্থা করে — মিডমার্ট কখনো আপনার টাকা বা পার্সেল হাতে নেয় না। ডেলিভারি চার্জ দোকানপ্রতি: তিনটি দোকান থেকে অর্ডার করলে তিনটি ডেলিভারি চার্জ দিতে হবে।

ডেলিভারি চার্জের আনুমানিক হিসাব দেখুন

স্বাধীনতা দিবস-এর তারিখ

বছর তারিখ
২০২৬ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
২০২৭ শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২৭
২০২৮ রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৮
২০২৯ সোমবার, ২৬ মার্চ ২০২৯

“সম্ভাব্য” চিহ্নিত তারিখ চাঁদ দেখা বা সরকারি ক্যালেন্ডারের ওপর নির্ভর করে, দিনের কাছাকাছি গিয়ে নিশ্চিত হয়।

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে প্রশ্ন

স্বাধীনতা দিবস সব সময় ২৬ মার্চ। ২০২৬ সালে দিনটি বৃহস্পতিবার, ২০২৭ সালে শুক্রবার আর ২০২৮ সালে রবিবার।

তথ্যসূত্র ও ছবির কৃতজ্ঞতা